
জেলা প্রতিনিধি,জামালপুর: জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিয়ের দাবিতে পটুয়াখালী থেকে এসে অনশন করেছেন চম্পা (৪১) নামের এক নারী। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল থেকে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাঁশদাইড় এলাকায় কাজল নামে এক যুবকের বাড়িতে ওই নারী অনশন শুরু করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদারভিটা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার সুজন পারভেজ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চাল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনকারী চম্পা বলেন, আমার মুন্সিগঞ্জে বিয়ে হয়েছিল। কাজলের সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার পরই ডিভোর্স হয়ে গেছে। ওই দিকে পাঁচজন ছেলে-মেয়ে আছে। ওরা ওদের বাবা কাছে থাকে। চার বছর থেকে কাজলের সঙ্গে আমরা ফোনে ফোনে সম্পর্ক। আমাকে ফোনে কবুল বলে বিয়েও হয়েছে। কিন্তু কাবিন হয়নি। আমি কাজলকে বারবার বলেছি, তুমি অবিবাহিত আর আমি বিবাহিত, আমি তোমার থেকে বয়সেও বড়, আমার বাচ্চা আছে। পরে তুমি আমাকে ভুলে যাবা। কিন্তু কাজল আমার কথা শুনেনি। কাজল বলেছে, আমি জেনেশুনেই তোমার সঙ্গে সম্পর্ক করেছি। কাজল আমাকে চার বছর ধরে সংসার করার আশা দিয়েছে। আমি এর আগেও এখানে এসেছিলাম, আবার চলেও গিয়েছি। কিন্তু এ মাসের ৯ তারিখ আবার কাজল আমাকে কল দিয়ে আসতে বলেছে। এখন এসে দেখি ওই পালিয়েছে। এবার আমি বিয়ে না করে যাবো না। আমি ওর সঙ্গে সংসার করতে চাই।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, এটা আমাদের এলাকার সম্মানের বেপার। ফেসবুকে এটা ছড়িয়ে পড়েছে। এতে আমাদের এলাকার মানসম্মান নষ্ট হচ্ছে।
মেম্বার সুজন পারভেজ বলেন, আমার এলাকায় মেয়েটি এসেছে, এটা সত্য। এখন দোষ তো ছেলেরও আছে। তা না হলে তো মেয়েটি এতো দূর থেকে আসতো না। এখন দেখি, ছেলের পরিবারে লোকজন নিয়ে বসে যদি বিয়ে করানো সম্ভব হয় বিয়ে করিয়ে দেবো।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে এখনো আমি কিছু শুনিনি। আপনার মাধম্যেই বিষয়টি জানতে পেলাম।