পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে।
এ ক্ষেত্রে ইইউ পরামর্শসেবা দিয়ে সহায়তা করতে পারে।
তিনি জানান, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশকে আধুনিকায়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইইউ।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, এ ক্ষেত্রে ইউরোপীয় দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারে। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
দুর্নীতি দমন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত একটি শক্তিশালী কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ ক্ষেত্রে ইইউর কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো দ্রুত চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সচিব রেবেকা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং ইইউর প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।










