শৈলকুপায় বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ৩ : বাড়িঘর ভাংচুর
প্রতিনিধির নাম :
-
প্রকাশিত:
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
-
২২
বার পড়া হয়েছে

- ঝিনাইদহ ডেস্ক: ঝিনাইদের শৈলকুপার পাইকপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার বার সকাল ১০ ঘটিকায়, শৈলকূপা থানা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেনের সামর্থক সাহেব আলী মন্ডল মাঠে কৃষি কাজ করতে গেলে তার ওপরে আক্রমন করে, হাতুড়ি, চাইনিজ কুড়াল দিয়ে দুই-পা ভেঙ্গে দেই। মালেক শেখের, ছেলে ইমারত শেখ। আবু বক্কার, এর ছেলে ইসমাইল। সলিম মুনশির এর ছেলে সাগর সহো অনেকেই বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে শৈলকূপা থানা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেনের ছেলে শৈলকুপা উপজেলা যুদলের সদস্য সচিব সাদাত হোসেনের সাথে জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ চৌধুরীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। তার জের ধরে সোমবার দিবাগত রাতে জাহিদ চৌধুরীর সমর্থকরা সাদাত হোসেনের সামর্থক দের হতাহতের ঘটনা ঘটে। এবং মঙ্গলবার সকালে শৈলকূপা থানা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেনের ছেলে থানা যুবদলের সদস্য সচিব সাদাত হোসেনের সমর্থক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম কাওছার এর বাড়ি ভাংচুর করে, জাহিদ চৌধুরীর সমর্থকরা। এতে করে শৈলকূপা থানা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেনের ছেলে থানা যুবদলের সদস্য সচিব সাদাত হোসেনের সামর্থকেরা খিপ্ত হ’য়ে। যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ চৌধুরীর সামর্থক রাব্বী নামে একজনকে হাতুড় দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। সেই ঘটনায় দুপুরে দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের ৩জন আহত হয়েছে এবং ৪/৫ টি বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এদিকে আহত ৩ জন কে শৈলকুপা ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। এব্যাপারে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান পাইকপাড়া গ্রামে প্রভাব বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।সংঘর্ষ থামাতে গ্রামটি অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং বিএনপি নেতা জাহিদ চৌধুরী সহ ৫জনকে আটক করা হয়েছে।
সংবাদটি শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন