
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুমা আখতার বলেন, সম্প্রতি কেউ ধারালো অস্ত্র দিয়ে হনুমানটির শরীরের পেছনের অংশে আঘাত করে। এরপর থেকেই প্রাণিটি চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এর আগে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও থানাতেও গিয়েছিল বলে জানা গেছে।
তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে এসে প্রথমে হনুমানটি চিকিৎসা শেডের একটি টেবিলে বসে। পরে ফার্মেসি কক্ষে ঢুকে বিভিন্ন ওষুধের বোতল খুলে গন্ধ নেয় এবং কিছু খাওয়ারও চেষ্টা করে। পরে চিকিৎসা দেওয়ার সময় আশ্চর্যজনকভাবে শান্ত হয়ে যায় এবং কোনো ধরনের বাধা দেয়নি। চিকিৎসকরা ক্ষতস্থানে ভায়োডিন দিয়ে পরিষ্কার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। ডা. মাসুমা আখতার বলেন, হনুমানটির আচরণ ছিল অনেকটা বাকপ্রতিবন্ধী মানুষের মতো। সে যেন নিজেই বুঝিয়ে দিচ্ছিল তার চিকিৎসা প্রয়োজন।