1. live@www.dainikbangladeshkhobor.com : দৈনিক বাংলাদেশ খবর : দৈনিক বাংলাদেশ খবর
  2. info@www.dainikbangladeshkhobor.com : দৈনিক বাংলাদেশ খবর :
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী প্রশিক্ষণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে মাদক ও সহিংসতা প্রতিরোধে পুলিশের মতবিনিময় সভা সোনামসজিদ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির বড় সাফল্য ভারতীয় ট্রাকসহ প্রায় ৬ হাজার বোতল মাদক সিরাপ জব্দ শৈলকুপায় চৈত্র সংক্রান্তি ও লোকজ উৎসব অনুষ্ঠিত  মাগুরায় ৭৯তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের ০৮ জন প্রশিক্ষণার্থী অফিসারদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নাচোলে ডিএনসির অভিযান: ৮০ লিটার চোলাইমদ ও ১৪০০ লিটার ওয়াশসহ নারী গ্রেফতার বিয়ের দাবিতে ৫ সন্তানের জননীর অনশন যেকোনো সময় যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে যেতে পারে: নেতানিয়াহু ইরানের উপসাগরীয় সব বন্দর অবরুদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে ইউনিফর্ম দেবে সরকার : প্রতিমন্ত্রী

মহেশপুর আদালত চত্বরে জালকোট ফিটে সয়লাভ অজ্ঞাতদের নামে মামলা।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টারঃ  জাল কোর্ট ফি’তে ছেঁয়ে গেছে মহেশপুর উপজেলা আদালত চত্ত্বর। সিনিয়র সরকারী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে ঘিরে একটি অসাধু সিন্ডিকেট জাল কোর্ট ফির রমরমা ব্যবসা শুরু করেছে। এতে করে অসাধু ব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব। উপজেলা চত্ত্বরে ব্যবসা করা স্ট্যাম্প ভেন্ডার ও ফটোকপির দোকান গুলোতে হরহামেসা পাওয়া যাচ্ছে এসব জাল কোর্ট ফি। পাঁচ ও দশ টাকার কোর্ট ফির তুলনায় বিশ টাকার কোর্ট ফিতে বেশি জাল ধরা পড়ছে। এ ঘটনায় মহেশপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের সেরেস্তাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামীদের নামে মামলা দায়ের করেছেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারী জজ আদালতের জমিজমা সংকান্ত দেওয়ানী মামলার আরজিতে সরকারী কোর্ট ফি ব্যবহার করা হয়। মামলার আরজিতে লাগানো কোর্ট ফি জাল সন্দেহ হলে সহকারী জজ আদালতের বিচারক মেশিনের সাহায্যে পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন। গত ৮ জুলাই পরীক্ষা করে মামলার আরজিতে লাগানো বেশি ভাগ কোর্ট ফি জাল প্রমানিত হয়। ওই সব জাল কোর্ট ফিতে কোন সরকারী চিহ্ন পাওয়া যায়নি।পরে গত ১০ জুলাই বৃহস্পতিবার অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।আইনজীবিদের সহকারীরা জানান, আদালত চত্ত্বরের পাশে ব্যবসা করা স্ট্যাম্প ভেন্ডার ও ফটোকপির দোকানগুলো থেকে আমরা কোর্ট ফি কিনে থাকি। আমাদের কাছে মেশিন না থাকায় পরীক্ষা করে নেওয়ার সুযোগ থাকে না। স্ট্যাম্প ব্যবসায়ী বাবর আলী বলেন, এখন পর্যন্ত আমার দোকানের কোন কোর্ট ফি জাল প্রমানিত হয়নি। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত লাভের আশায় এসব অপকর্ম করে থাকেন। এখানে ব্যবসা করা অনেক স্ট্যাম্প ভেন্ডার এসব কোর্ট ফি বিক্রি করেন।সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের সেরেস্তাদার আবু সাঈদ বলেন, সন্দেহ হলে বিচারকের নির্দেশে মেশিনের সাহায্যে আরজিতের লাগানো কোর্ট ফি পরীক্ষ করা হয়। এতে বেশি ভাগ কোর্ট ফি নকল ও জাল পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট